দেশজুড়ে নির্বাচনী আমেজ— আর মাত্র একদিন বাকি। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ভোটের ক্ষণগণনা। উৎসবের আমেজে কমতি নেই ভোটারদের মাঝে রয়েছে শঙ্কাও।
সব দলের জন্য সমান সুযোগ নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আর দেশজুড়ে যে সহিংসতা মানুষ দেখেছে তাতে ভোটগ্রহণের দিন পরিবেশ কতটা শান্তিপূর্ণ থাকবে তা নিয়েও শঙ্কা দেখা গেছে ভোটারদের মাঝে। তবে নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরাও ভোটারদের নির্ঝঞ্চাটে ভোটের ব্যাপারে আশ্বস্ত করছেন বারবার।
২৯৯ আসনে এক হাজার আটশোর বেশী প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে আছেন। শুধু ৭০ আসনের ঢাকা বিভাগেই এক হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।
শুক্রবার রাজধানীর বেশকিছু ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে আগে ভাগেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
তবে ভোটগ্রহণের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শেষ হবে শনিবার। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে উৎসবমুখরতা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছেন ভোটাররা।
এরমধ্যে প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ও জোটের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং হামলা ভাঙচুরের ঘটনা উত্তাপ ছড়িয়েছে ভোটের মাঠে।
প্রতিদ্বন্দ্বী শিবিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ থাকলেও রোববার উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশার কথা বলছেন সবাই।
এ আশঙ্কা নির্বাচন কমিশনের মতো দূর করতে চান প্রার্থী-সমর্থকরাও। ভোটারদের নির্বিঘ্নেই ভোটকেন্দ্রে এসে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
পছন্দের প্রার্থীর বিজয়ের চেয়েও একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দেবার নিরাপদ পরিবেশ চান ভোটাররা।