ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে নব গঠিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। নিজের পক্ষে ভোট চাইতে ভোটারদারদের দ্বারে দ্বারে ছুটছেন। সেই সঙ্গে আলোচনা, মত বিনিয়ম, কর্মীসভা, লিফলেট বিতরণ, মাইকিংসহ নানা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। জয়ী হলে মাদক, সন্ত্রাস নির্মূলসহ এলাকার উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।
আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপদে উপনির্বাচনের পাশাপাশি নতুন ১৮ ওয়ার্ডসহ ১৯ ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণ হবে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর বাড্ডা,মেরুল, বেরাইদ, রাতালকুল এলাকায় বইছে উৎসবের আমেজ। এসব এলাকার প্রতিটি গলি প্রার্থীদের পোষ্টার ছেয়ে গেছে।
নির্বাচনকে সামনে রেখে কাউন্সিলর প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে ছুটছেন। নিজের পরিচিতি ও নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে ভোটারদের কাছে বিতরণ করছেন লিফলেট। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্তও করছেন তারা।
এলাকা মানুষের কাছে ভোট চাওয়ার পাশাপাশি সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেও দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। বলছেন, এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়নের পাশাপাশি করবেন মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল।
অনেক প্রার্থী কর্মী সমাবেশ ও মিছিল মিটিং এর মাধ্যমে ব্যস্ত সময় পার করছেন। দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের নির্বাচন বেশ প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে বলেও তারা অভিমত ব্যক্ত করছেন।
এদিকে, ঢাকা উত্তর সিটিতে মেয়র পদে উপনির্বাচনের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডেও হবে কাউন্সিলর পর্যায়ের উপনির্বাচন। নির্বাচনকে সামনে তাই ওয়ার্ড গুলোতে বইছে উৎসবের আমেজ।
পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। নতুনভাবে নগরীর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় নাগরিক সুবিধা পাবেন এমন আশা ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দাদের।
২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে নতুন যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডে প্রথম বারের মতো কাউন্সিলর পদে নির্বাচন হচ্ছে।
মান্ডা, নন্দীপারা, নাসিরাবাদ, মানিকদিয়া এলাকার অলিগলি, রাস্তাঘাট ছেয়ে গেছে পোষ্টার-ব্যানারে। মাইকিং আর প্রচার-প্রচারণায় সরগরম চারপাশ।
গণসংযোগে ব্যাস্ত সময় পার করছেন কাউন্সিলর প্রর্থীরাও। ভোটারদের দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি সমস্যাগুলো সমাধানে কাজ করার অঙ্গীকার তাদের।
নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এমনটাই আশা ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দাদের।