পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পঞ্চম ও শেষ ধাপে ২০ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, একটানা চলবে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। তবে গ্রীষ্মকালীন বিবেচনায় এবং আগের রাতে ব্যালটে সিল মারা ঠেকাতে ভোটের সময় ১ ঘণ্টা পেছানো হয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, এ ধাপে চার উপজেলার সব কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে।
সেগুলো হচ্ছে- গাজীপুর সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, নোয়াখালী সদর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দর। ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় বিজয়নগর উপজেলায় ৫ প্লাটুন এবং রাঙ্গাবালী, মঠবাড়িয়া ও তালতলী উপজেলায় ৩ প্লাটুন করে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। আর কামারখন্দ ও তালতলী উপজেলায় আজ সকালে ব্যালট পেপার পাঠানো হবে।
যে ২০ উপজেলায় ভোট হচ্ছে- শেরপুরের নকলা, নাটোরের নলডাঙ্গা, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী, বরগুনার তালতলী, গাজীপুর সদর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর, মাদারীপুর সদর, রাজবাড়ীর কালুখালী, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর, নোয়াখালী সদর, রাজশাহীর পবা, নেত্রকোনার পূর্বধলা, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া, ফেনীর ছাগলনাইয়া এবং খুলনার ডুমুরিয়া।
উপজেলার কেন্দ্রে কেন্দ্রে সোমবারই ব্যালট পৌঁছে যায়।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মো. আলমগীর বলেন, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন সব প্রস্তুতি নিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয় অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। কাজেই আশা করি, ভোটার উপস্থিতি বাড়বে।