টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন, প্রাকৃতিক সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, পানি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমিয়ে আনার লক্ষে 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা -২১০০' করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
বিষদ গবেষণা ও সমীক্ষার মাধ্যমে ২০১৬ সালের মধ্যে এ পরিকল্পনা চুড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশন। আর এসব গবেষণা ও সমীক্ষা কাজে কারিগরি এবং আর্থিক সহায়তা দেবে নেদারল্যান্ডস।
বাড়ছে জনসংখ্যা, কমছে কৃষি জমির পরিমাণ। নাব্যতা হারাচ্ছে নদী-নালা। নদী তীরে শিল্পাঞ্চল গড়ে উঠায় নদীর পানিও ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সেইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাড়ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঘটনাও। হুমকির মুখে খাদ্য-পানির নিরাপত্তা আর জনস্বাস্থ্য।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এখনই প্রস্তুতি শুরু করতে চায় বাংলাদেশ। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষে বুধবার ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' এর উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে উঠে আসে গুরত্বপূর্ণ বেশ কিছু পরামর্শ।
নদী ব্যবস্থাপনা, কৃষি, মৎস, পানি সম্পদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাসহ ১৯টি বিষয়ে বিষদ গবেষণা ও বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ২০২৫, ২০৫০ ও ২১০০ সালের দৃশ্যকল্প তুলে ধরা হয়। এসব ব্যবস্থাপনায় প্রতিবেশী দেশগুলোকে সম্পৃক্ত করার কথা বলেন পানি সম্পদ মন্ত্রী আনিসুল হক।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল বলেন, পরিকল্পনাটি সঠিকভাবে প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে পারলে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষয়-ক্ষতি মোকাবেলা করে খাদ্য পানি ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।