কোরবানির পশুর বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানো বন্ধ করতে ব্যবহৃত ব্লিচিং পাউডার পরিবেশ দূষণসহ জনস্বাস্হ্যের জন্য মারাত্নক হুমকি বলে জানিয়েছেন পরিবেশকর্মীরা। শনিবার পরিবেশ বাচাঁও আন্দোলন (পবা) আয়োজিত কোরবানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা এ কথা বলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিবছর কোরবানীর ঈদে দেশের সর্বত্র যেখানে সেখানে জবাই করা পশুর বর্জ্য পড়ে থাকায় তা জনস্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে।
তারা আরো বলেন, পশু জবাইয়ের আগে ও জবাইয়ের সময় পরিচ্ছন্নতাসহ পরবর্তি পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ সচেতন নয়। কোরবানির বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানো বন্ধে যে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার করা হয় তা পরিবেশ দূষণসহ জনস্বাস্হ্যের জন্য মারাত্মক হুমকিস্বরূপ।
বর্জ্য ব্যবস্হাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনেরও পরামর্শ দিয়েছেন পরিবেশবাদীরা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের যুগ্মসচিব মো. আনছার আলী খান বলেন, আসন্ন ঈদে মহানগরীতে কোরবানীর পশুর বর্জ্য অপসারণে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এসব বর্জ্য থেকে দুর্গন্ধ ছড়ানো বন্ধে ব্লিচিং পাউডারের কোনো বিকল্প নেই।
এদিকে, প্রতিবছরই ঈদুল আযহা উপলক্ষে ঢাকা মহানগরীসহ দেশের সর্বত্র লাখ লাখ পশু কোরবানি দেয়া হয়। নির্দিষ্ট স্থানসহ পশুটি পরিচ্ছন্ন হতে হবে, দ্রুত পশুর রক্ত মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলতে হবে-এমন নানা সচেতনতার কথা বলা হলেও যত্রতত্র পশু কোরবানি করা হয় এবং খোলাস্হানে ফেলা কোরবানির বর্জ্য পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়।
ফলে পরবর্তি সময়ে ডায়রিয়া,টাইফয়েড,ম্যালেরিয়াসহ নানা রোগের বিস্তার ঘটে।