রাজধানী ও উত্তরাঞ্চলসহ সারাদেশে কালবৈশাখী ঝড়ে এ পর্যন্ত ২২ জনের প্রাণহানির ঘটেছে। আহত হয়েছে প্রায় দেড়শত মানুষ। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন কমপক্ষে ৫ জন।
ঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বগুড়া জেলায়ই ১৪ জন মারা গেছেন। ঝড়ের কবলে পড়ে রাতেই মারা যান ৫ জন। এছাড়া, রাজবাড়ি, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, কুড়িগ্রামসহ কমপক্ষে ৮ জেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার সন্ধ্যায় ঘণ্টায় প্রায় ১০০ কিলোমিটার বেগে এ ঝড় বয়ে যায়। এতে, গাছপালা, ঘরবাড়িসহ উপড়ে গেছে বৈদ্যুতিক খুঁটি। এখনও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে ঝড় কবলিত অনেক এলাকা।
প্রচণ্ড ঝড়ে সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, রাজশাহীতে ৩ জন, নাটোর, পাবনা, নওগাঁ ও জামালপুরে ঝড় ও বজ্রপাতে আরও ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া, ঝড়ে কমপক্ষে দেড়শ জন আহত হয়েছেন।
কালবৈশাখী ঝড়ে জামালপুর, রাজবাড়ি, কুড়িগ্রাম, নওগাঁসহ কমপক্ষে ৮ জেলায় হাজার হাজার বাড়িঘর বিদ্ধস্ত হয়েছে। গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে গিয়ে বন্ধ রয়েছে অনেক রাস্থা-ঘাট। ঝড়ের সঙ্গে শিলাবৃষ্টির কারণে নষ্ট হয়ে গেছে অসংখ্য ফসলি জমি।
প্রচণ্ড ঝড়ে এসব এলাকায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ। দীর্ঘ সময় বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন থাকে ঝড় কবলিত এলাকাগুলো।