কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও বগুড়ায় বিভিন্ন নদ-নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কিছুটা কমে এসেছে। এসব জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও দূর্ভোগ কমেনি বানভাসীদের। তবে কোথাও কোথাও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপূত্র, ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।
কুড়িগ্রামে তিস্তাসহ অন্যান্য নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় বন্যার সার্বিক পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, দুধকুমার নদীর প্রবল স্রোতে ভুড়ুঙ্গামারী সোনাহাট ব্রীজের পাইকের ছড়া এলাকায় সংযোগ সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় যানবাহণ চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার ৭ উপজেলার ২৪টি ইউনিয়নের কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ এখনো পানিবন্দি রয়েছে। পানি নামতে শুরু করলেও দুর্ভোগ কমেনি দুর্গতদের।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার, নুন খাওয়া পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার, তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৫৭ সেন্টিমিটার এবং ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। মহারশি নদীর পানি কিছুটা কমলেও নিম্নাঞ্চলে ২০টি গ্রাম এখনো প্লাবিত রয়েছে। এসব গ্রামের রাস্তা, ব্রীজ-কালভার্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার পানি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, সোমবার বিকল্প বাঁধের মেরামত না হওয়ায় লোকালয়ে পানি ঢুকে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে ফসলের বীজতলা ও সবজি বাগান।
এদিকে, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটেও বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। এখনো তীরবর্তী প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।