সারাদেশে প্রবল বর্ষণে বন্যার সৃষ্টি হয়েছে, কক্সবাজারে বৈরী আবহাওয়ায় নৌকা ডুবিতে মারা গেছেন ২ জন। নিখোঁজ রয়েছেন ৩ জন।
অবিরাম বর্ষণে বান্দরবানের সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। শুক্রবার ভোরে লামা ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পানিতে তলিয়ে যায়। শহরের কিছু কিছু জায়গায় ২ থেকে ৩ ফুট পানিতে তলিয়ে রয়েছে।
এদিকে, পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজারে বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট। এছাড়া, সাগর উত্তাল থাকায় তৃতীয় দিনের মতো চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙ্গরে বন্ধ রয়েছে পণ্য খালাস।
প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রামু-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের কয়েকটি অংশ ভেঙে যাওয়া যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। রামু-তেমুহনী-জাদিমুরা সড়কের কয়েকটি অংশও ভাঙনের মুখে পড়েছে। বাঁকখালী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রাবাহিত হওয়ায় ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
এছাড়াও, কক্সবাজারের প্রবল বর্ষণে শহরের বেশিরভাগ সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কমপক্ষে লক্ষাধিক মানুষ।
এদিকে, সাগর উত্তাল থাকায় টানা তৃতীয় দিনের মতো বন্ধ রয়েছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের বন্দরের বর্হিনোঙরের পন্য খালাস। আটকা পড়েছে বিভিন্ন ভোজ্য ও শিল্পের কাঁচামালসহ ৩৮টি জাহাজ। পণ্যবাহী লাইটার জাহাজগুলো কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন ঘাটে নোঙর করে রাখা হয়েছে। এছাড়া টানা বৃষ্টিতে বন্দরনগরীর নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে।
কুড়িগ্রাম, গাজীপুর ও টাঙ্গাইলে টানা বর্ষণের কারণে নগরীর নিম্নাঞ্চলে পানি জমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে বিপাকে পড়েছে নগরবাসী।