উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় কোমেন কিছুটা উত্তর দিকে সরে গেছে। বর্তমানে এটি স্থির রয়েছে। তবে উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে সন্ধ্যা নাগাদ চট্রগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে জানানো হয় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে চট্রগ্রাম -কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় জারি করা ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। এতে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়টির আঘাত হানার শঙ্কা কিছুটা কমে এসেছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
বুধবার মধ্যরাতে সেন্টমার্টিন-টেকনাফ উপকূল ছুঁয়ে বৃহস্পতিবার সকালে চট্রগ্রাম উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছায় মাঝারি শক্তির ঘূর্ণিঝড় কোমেন। ঘূর্ণিঝড়টি ধীরে ধীরে এগিয়ে আসায় কক্সবাজার ও চট্রগ্রাম সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত এবং মংলা ও পায়রা বন্দরে ৫ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, চট্রগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৫ কিলোমিটার দক্ষাণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার উপকূল থেকে ৮৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ২০৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছিল ঘূর্ণিঝড়টি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, বাতাসের গতিবেগ পরিবর্তন না হলে এটি আঘাত হানার আশঙ্কা কম। আর বৃষ্টিপাত হলে ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে পড়বে।
শঙ্কা কমলেও বিপদ সংকেত অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বলেও জানান আবহাওয়াবিদরা। চট্রগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এদিকে, ঘূর্ণিঝড় কোমেনের কারণে সব ধরণের নৌ-চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে বিআরটিএ।