ঘূর্ণিঝড় কোমেন শুক্রবার ভোরে সন্দ্বীপের কাছ দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করার পর দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এ নিম্নচাপের প্রভাবেই দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি ঝরছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. শাহ আলম।
তিনি বলেন, আজ সারাদিন বৃষ্টিপাত থাকলেও শনিবার নাগাদ তা কমে যাবে। গত ২ দিন ধরে চলা ৭ নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে সকল বন্দর এলাকায় ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আর কোনো ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন শাহ আলম।
এ;ইকে, ঘূর্ণিঝড় কোমেন দূর্বল হয়ে পড়ায় শুরু হয়েছে নৌ চলাচল। খুলে দেয়া হয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর। তবে এখন চট্রগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী ও ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দমকা হাওয়াসহ ভারী ও হালকা বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
দুই দিনের ঝড়ে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় আড়াইশো কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি নষ্ট হয়েছে। জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে বেশ কিছু এলাকা। বিভিন্ন স্থানে মারা গেছে চারজন। ডেস্ক রিপোর্ট।
ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিতে ভোলার চর কুকরিমুকরী ও ঢালচরে শতাধিক ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। কক্সবাজারেও শতাধিক কাঁচা ও আধাপাকা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে । নোয়াখালীর হাতিয়ার নলছিড়ার বেড়িবাঁধ ভেঙে ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।
গত ২দিনে ঝড়ো হাওয়ায় গাছচাপা পড়ে ভোলা, পটুয়াখালী ও সেন্টমার্টিনে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঝড়ের কবলে পড়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় মারা গেছে এক শিশু।