ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে গত কয়েক দিন টানা বৃষ্টিপাত হয়েছে সারা দেশে। জোয়ারের কারণে প্লাবিত হওয়ায় এলাকাগুলোর নদ-নদীর পানি কমে যাওয়ায় সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পানি কমতে শুরু করেছে ভোলার বিভিন্ন জায়গায়। এরমধ্যে ভোলার সদর, দৌলতখান, মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও নতুন করে আবার দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ। নষ্ট হয়ে গেছে ফসলি জমি, বসতবাড়ি, পুকুর আর মাছের ঘের।
বন্যাদুর্গত অনেকে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। এছাড়াও, পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করছে মেডিকেল টিম বলে জানান ভোলার জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা।
বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে নোয়াখালীতে। এরসঙ্গে নতুন করে দেখা দিয়েছে সর্দি, জ্বর, পেটের ব্যাথাসহ পানিবাহিত নানা রোগ। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট। অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারছে না এসব এলাকার অনেকে।
সঙ্কট মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে বলে জানালেন জেলা নোয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন।