জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়ে ভোলায় নদী ভাঙন বেড়েছে। গত চার দশকে মেঘনা ও তেঁতুলিয়ার অর্ধশতাধিক বর্গ কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে আশ্রয়হীন হয়েছেন লাখো মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সামান্য কিছু কাজ করার পর ভাঙন বন্ধ করা যাচ্ছে না তাই— এ দ্বীপ জেলাকে ভাঙন থেকে রক্ষার দাবি জানিয়েছেন জেলাবাসী।
বিগত ১২৩৫ সালে বঙ্গোসাগরের কোল ঘেষে জন্ম দ্বীপজেলা ভোলার। এরপর সত্তর দশক থেকে শুরু হয়েছে ভাঙন। ৮০-এর দশকে তা তীব্র আকার ধারন করে।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, অপরিকল্পিত বাধ, ভাঙন রোধে টেকসই ব্যবস্থা না নেয়ায় ভোলা সদর, চরফ্যাশন, মনপুরা, বোরহানউদ্দিন ও তজুমদ্দিন পয়েন্ট দিয়ে মেঘনা তেঁতুলিয়ায় তীব্র ভাঙন বেড়েই চলছে। দিশাহার হয়ে পড়েছেন এলাকার মানুষ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাবে গত চার দশকে ৫৭ কিলোমিটার এলাকা মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে বলে জানান পাইবো ভোলা উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ।
আশ্রয়হারা হয়েছেন লাখো মানুষ। বসতভিটা, স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা, হাটবাজার নদী গর্ভে চলে যাচ্ছে। মানচিত্রে ছোট হয়ে আসছে ভোলার আকার। বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে উপকূলীয় এলাকা।
টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণের মধ্যে দিয়ে গ্যাস সমৃদ্ধ ভোলাকে রক্ষার দাবী সর্বমহলের।