জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে শষ্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত পিরোজপুর জেলা ক্রমেই বিরাণভূমিতে পরিণত হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আইলার আঘাতে এখানকার কৃষি, বনাঞ্চল ও জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে।
উপকূলীয় ফসলী জমিগুলোতে লোনা পানি ঢুকে জমির উর্বরতা নষ্ট হয়ে গেছে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদী ভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ বেড়ে যাওয়ায় মরছে গাছপালা, কমছে আবাদি জমি।
নারিকেল সুপারি গাছবেষ্টিত এক সময়ের শষ্য ভাণ্ডার পিরোজপুর জেলার আয়তন ১৩০০ বর্গ কিলোমিটার। এখানে প্রায় ১২ লাখ মানুষের বসবাস করছেন যাদের অধিকাংশেরই পেশা কৃষি।
কিন্তু বিগত বছরগুলোতে উপকূলীয় এলাকায় সিডর ও আইলার মতো ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ফলে সমুদ্রের নোনা পানি এখানকার ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে।
এছাড়া পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় জমিগুলোতে সারাবছরই পানি থাকে। এতে জমিতে আগের মতো ধান ও অন্যান্য ফসল হয় না। এছাড়া নারিকেল সুপারির গাছ মরে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে জেলার মৎস ও প্রাণী সম্পদেও।
প্রাকৃতিক এ দুর্য়োগের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন টেকসই প্রযুক্তি, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সমন্বিত উদ্যোগ এবং গণসচেতনতা প্রয়োজন।