জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবে মরুভূমির পরিমাণ বাড়ছে। বিজ্ঞানিদের হিসেবে, মরুকরণের কারণে আফ্রিকা, চীন, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আমেরিকাসহ পৃথিবীর প্রায় ৪১ শতাংশ শুষ্কভূমির কোটি কোটি মানুষ ঝুঁকির মুখে রয়েছেন।
বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, অপরিকল্পিত চাষাবাদ, বনভূমি ধ্বংসের কারণে মরুভুমিতে পরিণত হচ্ছে এসব এলাকা।
জলাধার শুকিয়ে যাচ্ছে বাড়ছে তাপমাত্রা।
গবেষকদের মতে, শুষ্ক ভূমি অঞ্চলগুলোতে যুদ্ধ, খরা আর দারিদ্র্যের কারণে দুর্ভিক্ষে পতিত হচ্ছে মানুষ। লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে শরণার্থী হয়ে আশ্রয়ের চেষ্টা করছেন অন্য দেশে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে অতিবৃষ্টি, বন্যা, সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন, শৈত্যপ্রবাহের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে নাজেহাল পৃথিবী। অপরদিকে আবার মরুকরণের কারণে আফ্রিকা, চীন, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আমেরিকাসহ পৃথিবীর প্রায় ৪১ শতাংশ শুষ্কভূমির কোটি কোটি মানুষ ঝুঁকির মুখে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মতে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ, মাত্রাতিরিক্ত পশুচারণ, অনুর্বর ও সাধারণ জমিতে অপরিকল্পিত চাষাবাদ, গাছপালা কেটে উজাড় করায় এসব এলাকার মাটিতে কার্বন ও নাইট্রোজেনের পরিমাণ হ্রাস পেয়ে ফসফরাসের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। ফলে মাটির শুষ্কতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবে অনাবৃষ্টি ও বিভিন্ন কারণে ভূমির ক্ষয় বাড়ছে; জলাধার শুকিয়ে যাচ্ছে বলে জানান গবেষকরা।
বিজ্ঞানীদের মতে, মরু করণের কারণে মাটির উর্বতা হ্রাস পেয়ে পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। যুদ্ধ, খরা আর দারিদ্র্যের কারণে দুর্ভিক্ষে পতিত হচ্ছে মানুষ। লাখ লাখ মানুষ উদ্বাস্তুও হচ্ছে।
এসব এলাকায় গ্রিন হাউজ প্রভাবের অন্যতম কারণ হচ্ছে পরিবেশের কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ ক্ষমতাও দিন দিন কমে যাওয়া। আর এ অবস্থা চলতে থাকলে ২০৮০ থেকে ২০৯৯ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী ৫ থেকে ১৫ শতাংশ মাটির আর্দ্রতা হ্রাস পাবে বলে আশঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।