সারাদেশে শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশায় বিপর্যস্ত উত্তরাঞ্চলের জনজীবন। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতজনিত রোগের প্রাদুর্ভাবও। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শৈকপ্রবাহ আরো কয়েকদিন থাকবে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শৈকপ্রবাহ আরো কয়েকদিন থাকবে।
এদিকে, গরম কাপড়ের অভাবে কাজে যেতে পারছেন না নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। এতে করে খাদ্য সংকটে পড়েছেন তারা।
কুড়িগ্রামে হাড় কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। শৈত্য প্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে বেশ কয়েকদিন ধরে দেখা মিলছে না সূর্যের। তীব্র ঠাণ্ডায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর অববাহিকার চরাঞ্চলের মানুষ। বেড়েছে, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ।
এদিকে, মঙ্গলবার কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঘন কুয়াশার কারণে গত সাত দিনেও সূর্যের দেখা মেলেনি নাটোরে। কনকনে হিমেল হাওয়া ও তীব্র শীত থেকে রেহাই পেতে অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছেন। শীত জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। এরমধ্যে শিশুরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
গত এক সপ্তাহে শীত জনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ হয়ে ১৮ শিশু নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানান সেখানকার আবাসিক চিকিৎসক।
এদিকে, শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড়ে জেঁকে বসেছে শীত। ঘন কুয়াশার চাঁদরে ঢাকা পড়েছে মাঠ-ঘাট-জনপদ। তীব্র শীতে জবুথবু সাধারণ মানুষ। এছাড়া শীত বস্ত্রের অভাবে ভোগান্তিতে রয়েছেন হতদরিদ্র মানুষ। কেউ কেউ শীতবস্ত্র বিতরণ করলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল।
ঘন কুয়াশা আর হাড় কাঁপানো শীতে নাকাল চুয়াডাঙ্গাবাসীও। শীত বস্ত্রের অভাবে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা কাজে বের হতে পারছেন না। এতে তারা খাদ্যাভাবে ভুগছেন।
এছাড়া, শহরের হাট-বাজার ও ফুটপাতে শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসেছে দোকানীরা। তবে, দাম বেশি হওয়া তা অতি দরিদ্রদের নাগালের বাইরে। অনেকেই কিনছেন পুরাতন শীতবস্ত্র।