বৈশাখের প্রচণ্ড তাপদাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে যশোর, নড়াইল ও চুয়াডাঙ্গাসহ সারাদেশ। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছেন না। এর মাঝে সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষেরা।
প্রচণ্ড খরতাপে নাভিশ্বাস উঠেছে যশোরের মানুষের। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে গরমের তীব্রতাও। গত ১৫ দিন ধরে জেলার তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। দুঃসহ গরমে দুর্বিসহ হয়ে পড়েছে জনজীবন। গরমের দুর্ভোগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে নিয়মিত লোডশেডিং।
সারাদেশের সঙ্গে নড়াইলের তাপমাত্রাও যেন বাড়ছে পাল্লা দিয়ে। হাসপাতাল গুলোতে বাড়ছে ডায়িরিয়া, জ্বর, শ্বাস কষ্টসহ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব। মানুষ এ গরম থেকে মুক্তি পেতে নদী বা পুকুরের পানিতে গোসলসহ গাছের তলায় অবস্থান করছেন। শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে ডাবের পানি, অখেররস, সরবত, বরফ খাচ্ছেন মানুষ।
রোদে কম যাওয়ার পাশাপাশি ঠাণ্ডা খাবার ও স্যালাইন খাওয়ার পরামর্শ দিলেন নড়াইল সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আফম মশিউর রহমান বাবু।
বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এ তাপমাত্রা অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।