গ্রীষ্মের তাপদাহে পুড়ছে পুরো দেশ। অতিষ্ট নগরজীবন-কোথাও স্বস্তি নেই এতোটুকু, দেখা নেই বৃষ্টির। জনসংখ্যার আধিক্য, মাত্রাতিরিক্ত শিল্প ও আবাসিক ভবন, গাছপালা আর জলাধারের অভাব; এছাড়া, সূর্যের তাপের সাথে গরমের মাত্রা বাড়াচ্ছে গাড়ির ইঞ্জিন ও বিভিন্ন যন্ত্রের বিকিরণ।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গরমের এ মাত্রা অব্যাহত থাকবে আরো বেশ কয়েকদিন। আগামী ৪-৫ দিনেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।
বৈশাখের মধ্য দুপুর.কাঠফাটা তপ্ত রোদে রেহাই নেই কারোর.। বেশ কয়েকদিনের টানা খরতাপে অতিষ্ট নগরজীবন। দেখা মিলছে না বৃষ্টির. স্বস্তিতে থাকার উপায় নেই ঘরে বাইরে কোথাও।
একেবারেই জরুরি কাজ না থাকলে ঘরের বাইরে বেরোচ্ছেন না কেউই। তবে দিনমজুর আর খেটে খাওয়া মানুষের কাজে ছাড়া ছাড়া অন্য উপায় নেই।
কাজের মধ্যেই একটু স্বস্তির খোঁজ.জিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা গাছের ছায়ায়। অস্বাস্থ্যকর জেনেও অনেকেই পান করছেন রাস্তার পাশের লেবুর শরবত কিংবা অন্য কোনো ঠাণ্ডা পানীয়।
তুলনামূলক কম ঘনবসতি আর গাছপালার কারনে গ্রামাঞ্চলে গরম একটু কম হলেও শহুরের চিত্র ঠিক তার উল্টো। জনসংখ্যার আধিক্য, মাত্রাতিরিক্ত শিল্প ও আবাসিক ভবন, গাছপালা আর জলাধারের অভাব সেই সঙ্গে গাড়ির ইঞ্জিন, এয়ার কন্ডিশন ও বিভিন্ন যন্ত্রের বিকিরণও সূর্যের তাপের সঙ্গে বাড়াচ্ছে গরমের মাত্রা।
পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের (পবা) হিসেব মতে এরইমধ্যে ঢাকার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে। এলাকাভেদে এ তাপমাত্রার তারতম্যও ঘটে।
তবে আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসেবে মঙ্গলবারের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার যা ছিলো ৩৩ ডিগ্রিতে। কেবল একদিনের ব্যবধানেই তাপমাত্রা বেড়েছে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আগামী কয়েকদিনেও দেখা মিলবে না কাঙ্খিত বৃষ্টির-এমনটাই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। সবমিলিয়ে আরো বেশ কিছুদিন গরমের উত্তাপ সইতে হবে নগরবাসীকে।