টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর পানি বেড়ে গেছে। প্লাবিত হয়েছে নদী তীরবর্তী এলাকা ও চরের নিম্নাঞ্চল। এতে জেলার কমপক্ষে প্রায় ৫শো হেক্টর সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লালমনিরহাটের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তিস্তার পানি কমে বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীতীরবর্তী চরাঞ্চল ও ফসলী জমি থেকেও পানি নামতে শুরু করেছে।
গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বেড়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ধরলার সেতু পয়েন্টে ৩৫ মিলিমিটার, তিস্তার কাউনিয়া পয়েন্টে ৪৫ মিলিমিটার এবং ব্রহ্মপুত্রের চিলমারী পয়েন্টে ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেইসঙ্গে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে এসব নদ-নদীর পানি বেড়ে গেছে। এতে, রাজারহাট, চিলমারী ও সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে প্রায় পাঁচশো হেক্টর জমির সব্জি ক্ষেত।
বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জমি তলিয়ে যাওয়ায় মৌসুমী এসব সব্জি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।