দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার মধ্যে ভোলার বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার মেঘনার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় রাজাপুর পয়েন্টে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে তজুমুদ্দিন, মনপুরা, চরফ্যাশন, চর দৌলতখান ও সদর উপজেলার আরো ৩০টি গ্রাম।
পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন লাখো মানুষ। জোয়ারের চাপে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে বাঁধের বেশ কিছু পয়েন্ট। এসব এলাকা বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গতদের মধ্যে দশ হাজার টাকা ও ৮ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
চাঁদপুরের মেঘনা-ডাকাতিয়া নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বেশ কিছু অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। খেয়াঘাটগুলো ডুবে যাওয়ায় ও স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে হরিনা ঘাটে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে আছে। জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে চলাচল করছে মতলবের ধনাগোদা নদীর ফেরি।
এদিকে, রাজবাড়ীতে বিভিন্ন এলাকার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানি ও খাদ্যের অভাব সেই সঙ্গে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বেড়েছে।
এছাড়া, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ কুড়িগ্রামের অন্যান্য নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে দুর্ভোগ কমেনি বন্যা কবলিতদের। পানীয় ও খাদ্য সঙ্কট চরম আকার ধারণ করেছে ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগ।
এসব এলাকায় সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ সহায়তা দেয়া হলেও সমন্বয়হীনতার কারণে দুর্গতদের অনেকেই তা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।