চট্টগ্রামের ইউরিয়া সার কারখানায় গ্যাস রিজার্ভারের বিস্ফোরণে পরিবেশের বড় ধরনের ক্ষতি হবে না-বিসিআইসির কর্মকর্তারা এমন কথা বললেও কারখানার আশপাশে প্রচুর পরিমাণে মাছ- জলজ প্রাণী ও গবাদী পশু মরে গেছে। এছাড়াও বিবর্ণ হয়ে মরে যাচ্ছে গাছের পাতাগুলোও।
মানুষ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর এমন কারখানা জনবসতি থেকে নিরাপদ দূরত্বে স্থাপন, ও সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সোমবার রাতে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইউরিয়া সার কারখানার ডিএপি ইউনিটের গ্যাস রিজার্ভার বিস্ফোরণের পর প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে অ্যামোনিয়া গ্যাস। এতে অর্ধশতাধিক মানুষ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। পরে দমকল বাহিনী পানি ছিটিয়ে বাতাসে ছড়িয়ে পড়া অ্যামোনিয়া গ্যাস নিয়ন্ত্রণে আনে।
ছড়িয়ে পড়া অ্যামোনিয়া গ্যাসের কারণে পরিবেশের বড় কোনো ক্ষতি হবে না- দুর্ঘটনার পর থেকে সংশ্লিষ্টরা এমনটাই দাবি করে আসছেন।
তবে এ দুর্ঘটনার ৪ দিনের মধ্যেই কারখানার কয়েক কিলোমিটার এলাকায় প্রচুর পরিমাণে মাছ ও জলজ প্রাণী মরে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মারা গেছে গবাদী পশু। বিবর্ণ হয়ে মরতে বসেছে গাছপালাও।
এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে রাসায়নিক কারখানা জনপদ থেকে দূরে নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেইসঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টিও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার বলে মনে করছেন।