ভারত ফারাক্কা বাঁধ খুলে দেয়ায় বাংলাদেশে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। রাজশাহীতে বিপদসীমার মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে পদ্মার পানি।
এরইমধ্যে বিস্তৃত এলাকার ফসলি জমি ও নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। জলবন্দী হয়ে পড়েছেন শত শত মানুষ।
গত এক সপ্তাহে রাজশাহীতে প্রতিদিন ১৮ সেন্টিমিটার করে বেড়েছে পদ্মার পানি। গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে ১ সেন্টিমিটার।
পদ্মার অব্যাহত ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন শরীয়তপুরের শত শত পরিবার। এরইমধ্যে ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে শত বছরের পুরনো একটি মসজিদসহ বহু ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি।
ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন অন্যত্র। জেলার জাজিরা, নড়িয়া ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদ পদ্মার ভাঙনের মুখে পড়েছে।
এদিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে পাবনা, ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুরের বন্যা পরিস্থিতি।