অভিবাসন নিরাপত্তার জন্য হুমকি নয় তবে অভিবাসন আর নিরাপত্তার মধ্যকার সম্পর্ককে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয় বলে মনে করেন গ্রীসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাসচিব দিমিত্রিওস পারাসকেভোপোলাস।
সোমবার দুপুরে রাজধানীতে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিজ) আয়োজিত ‘অভিবাসন ও নিরাপত্তা’ সংক্রান্ত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
অভিবাসন সমস্যার সমাধান না হলে, ২০৩০ সালে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না বলেই মনে করেন আলোচকরা।
মাতৃভুমি ছেড়ে অন্য দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা— কেউ যায় উন্নত জীবনের খোঁজে, কেউ যায় বেঁচে থাকার তাগিদে। তবে বর্তমান বিশ্বে নিরাপত্তাহীনতা এবং সন্ত্রাসের জন্য অভিবাসীদেরকেই দায়ী করছে অনেক দেশ।
বিশ্লেষকদের মতে, এ অভিবাসনের সঙ্গে নিরাপত্তাহীনতার সম্পর্ক নেই বরং বেকারত্ব, ক্ষুধা এবং দারিদ্র্যের কারণেই, মানুষ অপরাধে লিপ্ত হয় আর তখনই তৈরি হয় নিরাপত্তা সংকট।
আলোচকরা মনে করেন, যখন কোনো দক্ষ মানুষ অভিবাসী হয়, তখন অভিবাসন গ্রহণকারী দেশ তাকে সাদরে গ্রহণ করে তবে অদক্ষদের বোঝা মনে করে।
আর তখনই চলে আসে নিরাপত্তার প্রশ্ন— যার কিছুটা ঠিক, কিছুটা অতিরঞ্জিত।
তারা বলেন, বতর্মানে অভিবাসন একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। জানান, অভিবাসীদের কর্মসংস্থান এবং বেঁচে থাকার অধিকার নিশ্চিত করা না গেলে, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অধরাই থেকে যাবে।