জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এদেশের ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ঋণ নয় আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ- টিআইবি।
শুক্রবার সকালে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) টিআইবি সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) এবং উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোটের (ক্লিন) যৌথ আয়োজনে ছয়দিন ব্যাপী জলবায়ু ন্যায্যতা সপ্তাহ উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন এ মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড.ইফতেখারুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্যতা নিশ্চিতের দাবিও জানানো হয়। পাশাপাশি এদেশ যেন জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দায়ী দেশে পরিণত না হয় সেজন্য ভারি শিল্প কারখানা স্থাপনে পরিবেশ নীতিমালা অনুসরণের কথাও বলা হয় এসময়।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ২০৫০ সাল নাগাদ শুধু বাংলাদেশেই ৩ কোটি মানুষের বাস্তচ্যুত হওয়ার পাশপাশি বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় ৬ লাখ মানুষের বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করা হয়।
আগামী ৭ থেকে ১৮ নভেম্বর মরক্কোর মারাকাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামো সনদ-২০১৬। ওই সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জলবায়ু পরিবর্তন খাতে ঋণ ও শর্তাধীন সহায়তা বন্ধ করার দাবি তুলে ধরার কথা বলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ঋণ নয় বরং আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানান।
পাশাপাশি এ খাতে ঋণ বন্টনের ক্ষেত্রে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার দাবিও তুলে ধরেন তিনি।
এ সময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী দেশে পরিণত না হতে ভারী শিল্প-কারখানা স্থাপনে সরকারকে পরিবেশ নীতিমালা অনুসরণের দাবি জানান।