এ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ‘সুপার মুন’ দেখতে পাওয়া যাবে আজ (সোমবার) রাতে। ‘সুপার মুন’ আদৌ কোনো নতুন বিষয় নয়— এর আগে এ বছরেই ৩ বার সুপার মুন দেখেত পাওয়া গিয়েছিল মার্চ, এপ্রিল, মে ও অক্টোবর মাসে।
তবে সেগুলির সঙ্গে ১৪ নভেম্বরের সুপার মুনের জুড়ি মেলা ভার কারণ এ চাঁদ হল শতাব্দীর সব থেকে বড় এবং উজ্জ্বলতম। এমনই ‘সুপার মুন’ শেষ দেখা গিয়েছিল ১৯৪৮ সালে।
১৯৪৮ সালের পর এত বড় আর উজ্জ্বল চাঁদ আর দেখা যায়নি আকাশে। পূর্ণিমার চাঁদ যতোটা বড় দেখায় তার চেয়েও ১৪% বেশি বড় দেখাবে এ সুপার মুন। এর উজ্জ্বলতা হবে সাধারণ পূর্ণিমার চাঁদের চেয়ে ৩০% বেশি।
তবে এ সুপার মুন আমেরিকাবাসীরা সবচেয়ে ভাল দেখতে পাবেন। কলকাতা থেকে এ ‘সুপার মুন’ দেখতে পাওয়া যাবে বিকেল ৪.৫৮ মিনিটে থেকে।
‘সুপার মুন’ কী?
নাসার ভাষায়, পৃথিবীকে ঘিরে চাঁদের যে কক্ষপথ রয়েছে তার আকৃতি ডিম্বাকার হওয়ার জন্য কক্ষপথে প্রদক্ষিণ করার সময় চাঁদ কখনও পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে আবার কখনও অনেক দূরে চলে যায়।
যখনই চাঁদ পৃথিবীর খুব কাছে চলে আসে তখন তা পৃথিবী থেকে খুব উজ্জ্বল দেখায়, তখনই তাকে বলে ‘সুপার মুন’।
আজকের পর এ অভূতপূর্ব সুপারমুন আবার দেখা যাবে ২০৩৪ সালের ২৫ নভেম্বর। তবে তখনও চাঁদ এ বারের মতো অতটা কাছে আসবে না পৃথিবীর।
নভেম্বরের এ পূর্ণিমাকে আমেরিকায় ‘বিভার মুন’ ও বলা হয় কারণ অনেক দিন আগে শীতে পশুর লোম দিয়ে গরম পোশাক বানানোর জন্য এ পূর্ণিমাতেই শিকারিরা ফাঁদ পাততেন পশু শিকারের জন্য।
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৪ ডিসেম্বর আরও একবার পৃথিবী ও চাঁদ বেশ কাছাকাছি আসবে অর্থাৎ আরো একবার দেখা মিলবে এ ‘সুপার মুন’।