শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে রয়েছে ঘন কুয়াশা— কোনো কোনো জায়গায় সূর্যের দেখা মিললেও কমেনি শীতের তীব্রতা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে ঠাণ্ডায় কষ্টে রয়েছে ছিন্নমূল মানুষ। বেড়েছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ। বিশেষ করে ঠাণ্ডার কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন বৃদ্ধ, শিশু আর দরিদ্র মানুষজন। প্রতিদিনই রোগীদের ভিড় হাসপাতালগুলোতে।
গত কয়েক দিন ধরে শৈত প্রবাহ শুরু হওয়ায় জেলার সর্বত্র ঘন কুয়াসা, কনকনে ঠাণ্ডা বাতাস ও তীব্র শীতের কারণে ভোগান্তিতে পড়েছে জামালপুরের হত দরিদ্র মানুষ। তাপমাত্রা ততো একটা নয় তবে হালকা শৈত্যপ্রবাহ যেন বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা।
গেল বারের তুলনায় এবার পৌষ মাসের শুরুতেই শীতের তীব্রতা শুরু হয়েছে। তাপমাত্রা কম থাকায় মৃদু শৈত প্রবাহ, প্রচণ্ড ঠাণ্ডা আর ঘন কুয়াশায় অনেকটাই কাবু এখানকার মানুষ।
শীতের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় জামালপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের মাঝে ৪৬ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
শীতে নাজেহাল নিলফামারীবাসী। শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ। শিশু ও বৃদ্ধরাই এতে আক্রান্ত হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। শীতে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অনেকেই।
শীতে আক্রান্ত রোগীদের ওষুধ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হবে, এমন প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।