দেশজুড়ে তাপপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে— জ্যৈষ্ঠের দাবদাহে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। গরমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। দেশের প্রায় সব জায়গায়তেই একই অবস্থা। ফেনীর পরশুরামে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন একজন।
বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকার কারণে গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে তারা।
এদিকে, প্রচণ্ড তাপদাহের সঙ্গে যোগ হয়েছে অসহনীয় গুমটভাব। এ চিত্র পুরো দেশজুড়ে। গত কয়েকদিনের প্রচন্ড তাপদাহে জনজীবন বির্পযস্ত প্রায়। আরো কয়েকদিন এই তাপদাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়া অফিস জানায়, ঢাকা ও খুলনা বিভাগ এবং রাজশাহী, পাবনা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, চাঁদপুর, মাইজদীকোর্ট, বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই তাপপ্রবাহ এ মৌসুমের চতুর্থ। আজ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস কিন্তু অনুভূত হচ্ছে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মতো।
সারাদেশের মতো গরমে অতিষ্ঠ যশোরবাসীও। নেই বৃষ্টি, নেই বাতাস। বাড়ছে তাপদাহ। গত দুই দিনে তাপমাত্রা ৩৪ থেকে বেড়ে দাড়িয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। একদিকে গরম, অন্যদিকে বিদ্যুতের লোড শেডিংয়ে জীনজীবন দুর্বিসহ। গরমের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নানা রকমের রোগব্যাধি। বাড়ছে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগে আক্রান্তদের সংখ্যা।
প্রচন্ড গরমে পনিবাহিত রোগের হাত থেকে রক্ষা পেতে বেশি করে খাবার পানি, ডাবের পানি ও স্যালাইন খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিসৎকরা।
একই চিত্র চট্টগ্রামেও। গত কয়েকদিন ধরে যশোরেও ৩২ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ওঠানামা করছে তাপমাত্রা। রাস্তা-ঘাটে ডাব ও বিভিন্ন ফলের শরবত খেয়ে নিজেকে সতেজ রাখার চেষ্টা করছে সাধারণ মানুষ।