ঘূর্ণিঝড় অশনি থেকে বাংলাদেশ আপতত মুক্ত বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ধীরে ধীরে এই ঝড় দুর্বল হয়ে পড়ছে। সেই সাথে বাংলাদেশ থেকে দুরত্বও বাড়ছে।আজ বুধবার সকাল ছয়টায় এর অবস্থান ছিল অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে। অবশ্য ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় দুদিন ধরেই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস, এমন বৃষ্টিপাত চলতে পারে আরও দুদিন।
আজ আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড়টি আরও দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার। এটি দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে দুই নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাঁদের গভীর সাগরে যেতে না করা হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন আজ বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জানান, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে সিলেটে ১১৯, টাঙ্গাইলে ৫৭, ঢাকায় ৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। আজও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হবে। এটি চলবে আগামী দুদিন।