'হৃদয় বান্ধব পরিবেশ' গড়ুন, সুস্থভাবে বাঁচুন' এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব হার্ট দিবস।
বাংলাদেশে প্রতি ১০ জনের একজন হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় বর্তমানে এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতি হিসেবে চিহ্নিত। একমাত্র সচেতনতার মাধ্যমেই এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।
ভেজাল খাদ্য ও পরিবেশগত কারণে দেশে হৃদরোগে আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ায় এটি এখন এক নম্বর প্রাণঘাতি রোগ হিসেবে বিশ্বব্যাপী চিহ্নিত।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি বছর বিশ্বে হৃদরোগে মারা যায় প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ মানুষ। এর মধ্যে শতকরা ৮২ ভাগই অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশে যার প্রায় অর্ধেক নারী।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের হিসেব অনুসারে বাংলাদেশের প্রতি ১০ জনের একজন হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে। আর এক হাজার শিশুর মধ্যে ১০ থেকে ১৫ জনই হৃদরোগ নিয়ে জন্ম নিচ্ছে। দেশের ২০ ভাগ প্রাপ্ত বয়স্ক এবং ৪০ থেকে ৬৫ ভাগ বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন। আর ৩ লাখ রোগীর জন্য ডাক্তার আছেন মাত্র ১১জন।
এমনই এক পরিস্থিতিতে দেশে হৃদরোগের চিকিৎসা মান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অ্যাপলো হাসপাতালের চিকিৎসক জুলফিকার হায়দার।
একমাত্র সচেতনতার মাধ্যমে হৃদরোগ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব বলেও মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।
হৃদরোগের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব হার্ট দিবস। দিসবটি উপলক্ষে রাজধানীর সোমবার অ্যাপলো হাসপাতালের সামনে থেকে একটি র্যা লি বের করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।