শারদীয় দুর্গাপূজা আর ঈদ-উল আযহার দীর্ঘ ছুটির ফাঁদে পড়েছে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা। সোমবার সকাল থেকেই বাড়ছে আহত রোগীর সংখ্যা, পশু জবাই, ছিনতাই আর ডাকাতির আক্রমণে আহত রোগীদের সামলাতে ডাক্তারদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এদিকে, চিকিৎসক কম থাকায় শিশু চুরির ভয়ে রয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের রোগীরা।
তবে সব ধরনের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু চিকিৎসা দিতে সব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এবার শারদীয় দুর্গোৎসব আর পবিত্র ঈদ-উল আযহা এসছে অনেকটা হাত ধরা-ধরি করে। পূজার আমেজ না কাটতেই ঈদের আনন্দ শুরু হওয়ায় দীর্ঘ ছুটির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর সরকারি হাসপাতালেও। রমজানের ঈদে হাসপাতালগুলোর জরুরি বিভাগ ফাঁকা থাকলেও কোরবানীর ঈদের চিত্রটা থাকে পুরোপুরি ভিন্ন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিটফোর্ড, সোহরাওয়ার্দীর মতো গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলোতে সকাল থেকেই আহত রোগীর ভিড়।
কেউ কোরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে, কেউ ছিনতাইকারীর কবলে কিংবা ডাকাতের আঘাতে আহত হয়ে এসছেন এসব হাসপাতালে।
ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা কম রয়েছে। তবে শিশু ওয়ার্ডে থাকা রোগীরা আছেন শিশু চুরির আতংকে। তারওপর নার্স, আয়াদের বকশিসের বাড়তি ঝামেলা।
যদিও এ অভিযোগ মানতে রাজী নয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. এ, এস এম শহিদুল্লাহ্।
এদিকে, মিটফোর্ড হাসপাতালে গিয়েও একই চিত্র পাওয়া গেছে, ইনডোর থেকে জরুরি বিভাগে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। নিজেদের সুনাম ধরে রাখতে চেষ্টার কোনো কমতি রাখছেনা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
তবে সরকারি প্রতিটি হাসপাতালেই রোগীদের জন্য ঈদের দিন বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এইদিন আউটডোর বন্ধ থাকলেও ঈদের পরেরদিন থেকে যথারীতি খোলা থাকবে।