রাজধানীর অধিকাংশ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকের সংখ্যা কম থাকায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে আর জরুরি বিভাগে রোগী দেখার দায়িত্বে রয়েছেন নার্স। নিয়মিত পরিদর্শন না করার অভিযোগ করেছেন হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীরা।
এদিকে, রোগীর সংখ্যা বাড়ছে সরকারি শিশু হাসপাতালে। চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।
দেশের স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষ কম খরচে চিকিৎসেবা নিতে সবসময়ই সরকারি হাসপাতালগুলোর দারস্থ হয়ে থাকেন। কিন্তু ঈদের দিনগুলোতে অধিকাংশ বেসরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগ বন্ধ থাকায় সব শ্রেনীর মানুষই ছুটে আসেন সরকারি হাসপাতালগুলোতে।
রাজাধানীর সোহরাওয়ার্দী, নিউরোলজি, পঙ্গু হাসপাতালগুলোর জরুরী বিভাগে রোগীর সংখ্যা কম থাকলেও ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যা বেশি।
রোগীদের অভিযোগ, ডাক্তারদের বেশিরভাগ ছুটিতে থাকায় পুরো চিকিৎসা সেবাই নার্সদের ওপরই নির্ভর করছে।
এছাড়া, সরকারি শিশু হাসপাতালে রোগীদের ভিড় বাড়ছে। কম ছিলোনা ওয়ার্ডে রোগীর সংখ্যাও।
শিশু হাসপাতালের নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. প্রবীর কুমার সরকার বলেন, মুসলিম চিকিৎসকরা ছুটি গেলেও অন্য ধর্মাবলম্বীরা ব্যবস্থা করে নিচ্ছেন। তবে চাপ সামলাতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে।
এদিকে, ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মিটফোর্ড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রয়েছে আহত রোগীর চাপ।