ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশের সকল সীমান্তে কঠোর নজরদারি ও যথাযথ শারীরিক চেকআপ ব্যবস্থা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছন বিশেজ্ঞরা। পূর্ব সর্তকতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিটি জেলায় মেডিকেল টিম গঠন ও এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও জানান বক্তরা। এছাড়া, জনসচেতনতা বাড়াতে সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্হা গ্রহণেও দাবি জানিয়েছন তারা।
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীতে 'মৃত্যু আতঙ্ক ইবোলা ভাইরাস: আমাদের করণীয় ও সর্তকতা' শীর্ষক এক সেমিনারে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন-বাপার অনুষ্ঠানে সংক্রমণ প্রতিরোধ নিয়ে সচেতনতামূলক নানা দিক তুলে ধরেন বক্তরা।
দেশে ইবোলা সংক্রমণ প্রতিরোধে পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া না হলে স্বাস্থ্যখাতে মারাত্বক ভয়াবহতার আশঙ্কা প্রকাশ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের-বিএসএমএমইউ সাবেক উপাচার্য নজরুল ইসলাম।
সম্প্রতি নাইজেরিয়া, গিনি, লাইবেরিয়া, সিয়েরা লিওন-পশ্চিম আফ্রিকার বিভিন্ন দেশসহ আমেরিকা ও ইউরোপে ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্তমান তথ্যমতে, এ ভাইরাসে আক্রান্ত প্রায় ৬০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগী মারা যাচ্ছেন।
প্রতিনিয়তই বাংলাদেশি নাগরিকরা যেমন যাচ্ছেন তেমনি ওইসব দেশ থেকে অনেকেই আসছেন। সেক্ষেত্রে এ ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করছেন বিশেজ্ঞরা।
এ ভাইরাসে আক্রান্তদের ডায়রিয়া, জ্বর ও বমি হয়ে থাকে। এছাড়া শরীরের চামড়া ফেটে রক্ত বের হয়। ইবোলা ভাইরাস মূলত বন্যপ্রাণী বিশেষ করে বানর, বাদুড়, শিপপাঞ্জিসহ নানা বন্যপশু থেকে মানুষ এবং পরবর্তীতে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়।
জনসাধারনের মাঝে এ ইবোলা ভাইরাস যেন আতঙ্ক হিসেবে বিরাজ না করে সেজন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও জোর তাগিদ দেন বক্তরা।