স্বাস্থ্যখাতে চিকিৎসক ও কর্মকর্তা নিয়োগে দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনের প্রমাণ দাবি করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হৃদরোগ চিকিৎসা কর্মশালা উদ্ভোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
ঘুষের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত কাউকে নিয়োগ দেয়া হয়নি— এ কথা উল্লেখ করে নাসিম বলেন, টিআইবি সুনির্দিষ্ট প্রমাণ দিতে না পারলে তাদের প্রতিবেদন উদ্দেশ্যে প্রণোদিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে প্রমাণিত হবে।
স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি বা অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগের অভিযোগ ভিত্তিহীন—এ কথা জানিয়ে তিনি বলেন, টিআইবি যে প্রতিবেদন দিয়েছে তা আমি লাইন বাই লাইন পড়েছি। কোথাও লেখা নেই কে কাকে ঘুষ দিয়েছে। তাই বলতে হবে, কোথায় কাকে কতো টাকা ঘুষ দিতে হয়েছে, না হলে বুঝে নিতে হবে প্রতিবেদনটি ভিত্তিহীন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেন, ‘আমি দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিইনি, আশ্রয় দেয়ার প্রশ্নই ওঠে না, আমি কাউকে ছাড়ব না, যার বিরুদ্ধেই দুর্নীতি প্রমাণ হয়েছে, তাকেই আমি সরিয়ে দিয়েছি।’
অতীতে স্বাস্থ্যখাতে যেকোনো অভিযোগের ব্যাপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছে ,এ সময় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকদের গ্রামে পোস্টিং ঠেকাতে কোনো তদবির কাজে আসবে না বলেও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ৬ নভেম্বর রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যখাতে অস্থায়ী ভিত্তিতে চিকিৎসক নিয়োগে দুর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত কর্মকর্তা নিয়োগে এক থেকে ৫ লাখ টাকা ঘুষের লেনদেন হয়েছে। আর চিকিৎসক পদোন্নতিতে ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা এবং অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ পেতে চিকিৎসকদের ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পেয়েছে টিআইবি।