বিএনপি- জামাত নেতৃত্বাধীন ২০ দলের টানা অবরোধ কর্মসূচি আর হরতালে বিপর্যস্ত জনজীবন। বিশেষ করে এ কর্মসূচির নামে সারাদেশে বিভিন্ন গণপরবিহনে ছোড়া পেট্রোল বোমায় পুড়ে মরছে সাধারণ মানুষ। আগুনে ঝলসে যাচ্ছে একেকটি পরিবারের স্বপ্ন।
এসব ঘটনায় বিক্ষুব্ধ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। দেশের শীর্ষ স্থানীয় চিকিৎসকরা মনে করেন, সহিংসতা কখনো আন্দোলনের অংশ হতে পারে না।
তাদের আশংকা এ ধরনের সন্ত্রাসে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই বিপন্ন হতে পারে বলে মনে করেন বিএমএ- এর সাবেক সভাপতি ডা. রশিদ ই মাহবুব ও সাধারণ সম্পাদক ডা.ইকবাল আরসালান।
তারা মনে করেন, সংকট নিরসনে কোনো সুনির্দিষ্ট দলের সঙ্গে নয় সকল গণতান্ত্রিক শক্তিকে সঙ্গে নিয়েই জাতীয় সংলাপ জরুরি।
গত ৬ জানুয়ারি থেকে টানা অবরোধের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে দেশ। সেই সঙ্গে মরার উপর খড়ার ঘায়ের মতো যুক্ত হয়েছে হরতালের কর্মসূচি। আর এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের নামে দেশ জুড়ে চলছে যানবাহন ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ আর পেট্রোলবোমা হামলার ঘটনা।
হাসপাতালগুলোর বার্ন ইউনিটে এখন শুধু পোড়া মানুষের আর্তনাদ। স্বজনহারাদের মুখে এখন শুধুই স্বপ্ন ভঙ্গের গল্প।
রাজনীতির নামে এ ধরনের নাশকতামূলক তৎপরতায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতো চিকিৎসকরাও ক্ষুব্ধ। তাদের আশঙ্কা আন্দোলনের নামে এ ধরনের সন্ত্রাস চললে, দেশের বিদ্যমান গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা হুমকির মুখে পড়তে পারে।
তারা মনে করেন, এ সঙ্কট নিরসনে সবার আগে নাশকতা বন্ধ করতে হবে। তারপর সুনির্দিষ্ট কোনো দলের সঙ্গে নয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সংহত করতে সব দলকে সঙ্গে নিয়ে একটি জাতীয় সংলাপ করতে হবে।