চলমান রাজনৈতিক সহিংসতার শিকারদের একটাই প্রশ্ন- তারা রাজনীতি বোঝেন না, তারা সাধারণ মানুষ। এরপরও পেট্রোলবোমায় কেন দগ্ধ হতে হয় খেটে খাওয়া মানুষদেরকেই। তাদের এ আত্মচিৎকার কী রাজনীতিবিদের কানে পৌঁছায় না?
রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে মানুষ মারা বন্ধ হোক—এমনটাই আকুতি অসহায়-নিরপরাধ এসব মানুষের।
পেট্রোলবোমায় দগ্ধ হওয়া অনেকেরই শরীরের ক্ষত হয়তোবা শুকিয়ে যাচ্ছে। সুস্থ হয়ে নিজ ঘরে ফিরেও যাচ্ছেন কেউ কেউ। কিন্তু মনের ক্ষত কীভাবে সারবে? কান্নাই কী তাদের একমাত্র সম্বল হবে? না-কি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ফিরতে পারবেন নিজের কর্মজীবনে। এমন প্রশ্ন বারবারই উঁকি দিচ্ছে আহত এসব মানুষগুলোকে।
আকুতি একটাই তাদের মতো আর যেন খেটে খাওয়া কোনো সাধারণ মানুষকে রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হতে না হয়।
প্রতি মুহূর্তেই বোমায় দগ্ধদের আকুতি আর আতর্নাদে যেন ভারি হয়ে উঠছে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের বাতাস। পেট্রোল বোমায় দগ্ধ হয়ে বার্ন ইউনিটে এখনো চিকিৎসা নিচ্ছেন ৪৭ জন। তাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এদিকে, পেট্রলবোমায় দগ্ধদের ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে দেখতে যান বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ।
তিনি বলেন, নাশকতায় উস্কানিদাতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।
পরে চিকিৎসাধীন ৪৮ জনের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।