দেশব্যাপী সব জেলা সদরের হাসপাতালে বার্ন ইউনিটকে পুরোপুরিভাবে কার্যকর না হলে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে—জানিয়েছেন ইউনিটের অবৈতনিক উপদেষ্টা সামন্ত লাল সেন।
মঙ্গলবার বার্ন ইউনিটের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
বার্ন ইউনিট না বাড়ানো হলে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসাসেবা কিছুটা হলেও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
ঢাকার বাইরে সহিংসতায় অপেক্ষাকৃত কম দগ্ধ রোগীদের ঢাকা মেডিকেলে না নিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়ে সামন্ত লাল বলেন, জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে দগ্ধদের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিট থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হবে।
অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে আগে থেকেই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী এবং মিটফোর্ড হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে জানানো হয় মুগদা ও কুর্মিটোলা হাসপাতালেও দগ্ধ রোগীদের জন্য আরো ২০টি বেডসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বেড়েই চলেছে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে পেট্রোল বোমায় দগ্ধ রোগীদের সংখ্যা। মঙ্গলবার সকালেই ভর্তি হয়েছেন কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাসে পেট্রোলবোমায় দগ্ধদের মধ্যে ৬ জন। চলমান সহিংসতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে এ পর্যন্ত দগ্ধ রোগী এসেছেন ১১১জন।
প্রায় প্রতিদিনই রাজধানী অথবা রাজধানীর বাইরে থেকে ২০ দলীয় জোটের অবরোধ-হরতালে পেট্রোল বোমায় দগ্ধরা ভর্তি হচ্ছেন ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে।
ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটের ধারণ ক্ষমতা ৩০০ হলেও বর্তমানে সব মিলিয়ে রোগী রয়েছেন ৪৮১ জন। চিকিৎসকরা সেবা দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হলেও অতিরিক্ত চাপের কারণে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও সেবিকারা।
অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে আগে থেকেই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী এবং মিটফোর্ড হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। মঙ্গলবারের ব্রিফিংয়ে জানানো হয় মুগদা ও কুর্মিটোলা হাসপাতালেও দগ্ধ রোগীদের জন্য আরো ২০টি বেডসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের অনুদানের ৩ কোটি টাকায় দগ্ধ রোগীদের যন্ত্রণামুক্ত ড্রেসিং করার তিনটি অত্যাধুনিক বার্ন টেন্ট শিগগির কেনা হবে বলেও জানানো হয়।