ঈদের ছুটিতেও রাজধানীর হাসপাতালগুলো কর্মব্যস্ত— চব্বিশ ঘণ্টা খোলা থাকা সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত রোগীদের ভিড় দেখা গেছে।
সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে দেশের ঐতিহ্যবাহী ও শীর্ষস্থানীয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। আর ঈদের সময়টাতে প্রায় অর্ধেক লোকবল নিয়ে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে সরকারি মিটফোর্ড হাসপাতাল। অন্য হাসপাতালের চিত্র অনেকটা একইরকম।
দেশের ঐতিহ্যবাহী ও শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ১৮০০ শয্যার এ হাসপাতালের বারান্দা ও করিডোরের মেঝে, সব মিলিয়ে প্রায় ৩ হাজার রোগীর স্থান সংকুলানের ব্যবস্থা রয়েছে। আর দিন-রাত তাদের সেবায় নিয়োজিত আছেন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারি মিলিয়ে প্রায় দুই হাজার জন।
ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক-নার্সের সংখ্যা নেমে আসে প্রায় অর্ধেকে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ঈদের সময়ে চিকিৎসকদের পাশাপাশি রোগীর সংখ্যাও কম থাকে ফলে এ অর্ধেক জনবল নিয়েই সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তবে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে রোগীর সংখ্যা কম থাকলেও জরুরি বিভাগে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা বলে জানান তিনি।
পশু কোরবানির সময় কিংবা সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগির সংখ্যাই বেশি বলে জানান তিনি।
রোগীদের সামাল দিতে কিছুটা সমস্যা হলেও নিজেদের মধ্যে সমন্বয় করে নিয়েছেন চিকিৎসকরা।
এদিকে, চিকিৎসকের সংখ্যা কম থাকলেও এর তেমন প্রভাব পড়েনি মিটফোর্ড হাসাপাতালের চিকিৎসা সেবায়।
চিকিৎসক, সেবিকাদের একটি অংশ ঈদ উপলক্ষে ছুটিতে থাকলেও জরুরি বিভাগ থেকে শুরু করে হাসপাতালের অন্য সব বিভাগেই কর্মচাঞ্চল্য রয়েছে বলে জানান মিটফোর্ড হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. দেবীকা রায়।
ঈদ উপলক্ষে দুটি হাসপাতালেই বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ঈদের তিনদিন বর্হিবিভাগ বন্ধ থাকলেও জরুরি বিভাগ চব্বিশ ঘণ্টাই খোলা রয়েছে।