শারীরিক ও মানসিক শাস্তির ফলে শিশুরা প্রতিনিয়তই আইন বহির্ভূত ও সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
রোববার রাজধানীতে এ বিষয়ে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন বক্তারা।
সকল ক্ষেত্রে শাস্তি বন্ধ করে আইন করারও আহ্বান জানিয়েছে—প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান, শুধু আইন নয় সামাজিকভাবে এ ধরণের কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
শিশুর প্রতি শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী।
এতে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি শিশুর বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন মানবাধিকার কর্মীরা।
তারা বলেন, আইনের বাস্তবায়ন না হওয়ায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে।
আইন প্রয়োগ ও পরিবর্তনে নানান প্রতিবন্ধকতার কথা স্বীকারও করেন সংশ্লিষ্টরা।
"বাংলাদেশে শিশু অধিকারের অবস্থা ২০১৪" শীর্ষক বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরাম প্রতিবেদন অনুযায়ী গত দুই বছরে শিশুর ওপর তিনশ পয়তাল্লিশটি শারীরিক শাস্তির ঘটনা ঘটেছে। এর অধিকাংশই ঘটেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। এর মধ্যে বগুড়া, মুন্সিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জে এসব ঘটনা ঘটেছে বেশি। "শিশুর প্রতি শারীরিক শাস্তি বন্ধ" শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়।