চট্টগ্রাম মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সঙ্গে বিএমএ নেতাদের বৈঠকের পর রোববার দুপুরে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চলমান অচলাবস্থার অবসান ঘটেছে।
মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে চট্টগ্রামে ৫ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম।
এতে সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার রোগী। রোগীর চাপ বেড়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
গত ১০ জানুয়ারি নগরীর বেসরকারি হাসপাতাল "সার্জিস্কোপ" এর মেটারনিটি ইউনিটে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির ভাতিজি মেহেরুন্নেছার সিজার অপারেশন করা হয়। অপারেশনের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মেহেরুন্নেছার।
এ ঘটনায় ডা. মাহবুবুল আলম ও ডা. শামীমা রোজীর অবহেলায় মেহেরুন্নেছার মৃত্যুর হয়েছে এ অভিযোগ এনে ওই রাতে সার্জিস্কোপ হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় রোগীর স্বজনেরা। এরপর ওই দুই চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন প্রতিবাদমূলক কর্মসূচি পালন করে আসছেন রোগীর স্বজন ও বিভিন্ন পেশার মানুষেরা।
গত ১৯ জানুয়ারি ওই দুই চিকিৎসককে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন মেহেরুন্নেছার পিতা খায়রুল বাশার।
মামলার পরদিন দুপুর থেকে চট্টগ্রামে আকষ্মিকভাবে বেসরকারি পর্যায় চেম্বার ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় চিকিৎসকদের সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. ফয়সাল ইকবাল।
এরই মধ্যে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বিএমএয়ের মহাসচিব ডা. মো. শরীফ।
মাস কয়েক আগেও একই ধরনের ঘটনায় ধর্মঘটে দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল রোগীদের।