বাংলাদেশে জিকা ভাইরাসের বিস্তার হওয়ার সম্ভবনা খুব কম—তাই এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. দ্বীন মো. নূরুল হক।
জিকা ভাইরাস মোকাবেলায় সতর্কতামূলক সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার জিকা ভাইরাস নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি বিষয়ে আলোচনা করতে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এক সভায় এ কথা বলেন তিনি।
ইন্টারনেট ও গণমাধ্যমে এ ভাইরাস নিয়ে যেসব তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে তা বাংলাদেশের কোনো গবেষণা বা পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক নয়। তবে, এ ভাইরাসের সংক্রামণ ঠেকাতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সংস্থাটির পক্ষ থেকে।
১৯৪৭ সালে সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয় জিকা ভাইরাস। ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া রোগের বাহক এডিস মশা এ ভাইরাসটির প্রধান বাহক হলেও এ দু'টি রোগের মতো এতোদিন এর এতো পরিচিতি ছিল না।
সম্প্রতি ব্রাজিলসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে ভাইরাসটি আশঙ্কাজনকহারে ছড়িয়ে পড়লে এবং এর ফলে অপরিণত বা ছোট মস্তিষ্কের শিশু জন্মের হার বেড়ে গেলে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় চিকিৎসকদের কাছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জিকা ভাইরাস নিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করে।
বাংলাদেশে জিকা ভাইরাসের বিস্তার হওয়ার সম্ভাবনা খুব কম, তাই এ নিয়ে সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানিয়েছন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোলের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের মোহাম্মদ শামছুজ্জামান।