গত তিন দিনে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে—রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, ডা. অজয় কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মাঘের শুরুতেই প্রচণ্ড শীতে দেশের উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলার জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই নামছে তাপমাত্রার পারদ। কনকনে ঠাণ্ডা বাতাসে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগীর ভীড় বাড়ছে। আক্রান্তদের অধিকাংশই বৃদ্ধ ও শিশু।
লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, ফরিদপুর ও ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বেড়েছে শীতের তীব্রতা। মাঘ মাসের কুয়াশা ও শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষেরা।
হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়াসহ শীত-জনিত নানা রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভীড়। বাড়তি রোগীর চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদেরও।
তীব্র শীতে বয়স্ক ও শিশুদের ভোগান্তিই সবচেয়ে বেশি বলে—জানান রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বর্হিবিভাগের
মেডিকেল অফিসার ডা. স্মৃতি রায়।
বৈরি আবহাওয়ায় শিশুদের ঘরের বাইরে বের না করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় গরম কাপড় পরানোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।