বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আজ (রোববার)— অটিস্টিক শিশুদের স্বকীয়তা ও আত্মপ্রত্যয়ের পথে নিয়ে আসতে সকলকে উদ্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি।
অটিস্টিক শিশুদের জন্য আলাদা খেলার মাঠ তৈরি, সম্প্রচার মাধ্যমগুলোতে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারসহ সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করে দিলে দেশের উন্নয়নে তারা অবদান রাখতে পারবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এসব শিশুদের মানসিক বিকাশে লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে তাদের যুক্ত করতে অভিভাবকদের মধ্যেও আগ্রহ বাড়ছে।
অন্যান্য শিশুর মতোই ছড়া পড়তে ভালোবাসে অটিস্টিক এই শিশুটি। লেখাপড়ার পাশাপাশি তারাও অংশ নেন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে। হতাশা কাটিয়ে এই শিশুদের মানসিক বিকাশে এখন এগিয়ে আসছেন অভিভাবকরা।
জাতিসংঘে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর ২০০৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ২ এপ্রিল অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের অটিজম সোসাইটির পরিসংখ্যান অনুযায়ী বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় এক শতাংশ মানুষ অটিজমের শিকার। অভিভাবকদের সচেতনতায় অটিস্টিকদের মধ্যেও মেধার বিকাশ ঘটনো সম্ভব।
পনের বছরের ওপরে অটিস্টিক শিশুদের কাজের উপযোগী করে গড়ে তুলতে, প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রয়েছে। এখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজও করতে পারবে তারা।
সম্প্রচার মাধ্যমগুলোতে অটিস্টিক শিশুদের জন্য বিশেষ সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান প্রচারের ওপর গুরুত্ব দেন পিএফডিএ চেয়ারম্যান সাজিদা রহমান ড্যানি। বিশেষ যত্ন নেয়ার পাশাপাশি তাদের জন্য আলাদা খেলার মাঠ তৈরির পরামর্শও দেন তিনি।
সঠিক পরিচর্যা পেলে পিছিয়ে পড়া এ শিশুরাও সমাজে অবদান রাখতে পারে— হয়ে উঠতে পারে দশ জনের একজন।