ভোলায় দিনে গরম আর রাতে শীতের কারণে শিশুদের নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
গত দুই দিনে দুই শিশু মারা গেছে। হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে শয্যা সংকটের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ওষুধ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে রোগীদের।
শীতের শুরু না হলেও ভোলায় রাতে বেশ শীত অনুভূত হচ্ছে অথচ দিনে বেশ গরম। দিন এবং রাতের তাপমাত্রার এই উঠানামার কারণে বিশেষ করে শিশুরা নিউমোনিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এতে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে রোগীদের সংখ্যা। গত দুই দিনে নিউমোনিয়ায় দুই শিশু মারা গেছে।
হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় শিশু রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। মাত্র ৪০টি বেডে শতাধিক শিশু রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেয়া হচ্ছে।
শিশু বেড অপর্যাপ্ত হওয়ায় বাধ্য হয়েই একটি বেডে তিন থেকে চার জন আবার মেঝেতে স্থান হয়েছে অনেক শিশুর বলে জানান রোগীর স্বজনেরা।
এছাড়া ভোলা সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ নেই, তাই বাইরে থেকে ওষুধ কিনে আনতে হয় রোগীদের স্বজনদের।
ধারন ক্ষমতার বেশি রোগী থাকায় তাদের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক-নার্সরা বলে সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহানাজ খান।
ভোলা সিভিল সার্জন ডাক্তার রথীন্দ্রনাথ মজুমদার বলেন, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় সংখ্যক বেড না থাকায় এক বেডে দুই জনকে রাখা হচ্ছে।
তবে, পর্যাপ্ত ওষুধ থাকলেও কিছু রোগীকে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে বলে তিনি স্বীকার করেন।