কয়লার গুড়া ও ছাইয়ের কারণে শ্বাসকষ্ট, হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শ্রমিকরা। এদিকে, কয়লার গুঁড়া বা ছাইয়ের কারণে শ্রমিকদের আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বেতনভাতা প্রদানের পাশাপাশি নিয়মিত অ্যাশ ভাতা প্রদানের দাবি শ্রমিকেদর।
তবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্যহানীর এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খালেদ মাহমুদ।
আর ছাইয়ের বিষয়টি মারাত্মক আকার ধারণ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পরিচালনায় দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটে ২৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।
উল্লেখ্য, দিনাজপুরের পার্বতীপুরে কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যাত্রা শুরু ২০০৬ সাল থেকে। এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটে কাজ করছেন প্রায় আড়াইশো শ্রমিক। কয়লার গুড়া ও ছাইয়ের কারণে এখানের অনেক শ্রমিকই ভুগছেন শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, কাশিসহ বিভিন্ন রোগে।
শুধু তাই নয়, ২০১৫ সাল থেকে ২৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন আরও একটি ইউনিটের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সেখানে কর্মরত প্রায় বারশো শ্রমিকও একই ধরণের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।