নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহত শাহীন ব্যাপারী ও শাহরিন আহমেদের বুধবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। গুরুতর আহত আরেক যাত্রী কবির হোসেনসহ আইসিউতে থাকা এই তিন যাত্রী এখনো শঙ্কামুক্ত নন। বার্ন ইউনিট প্রধান সমন্বয়ক সামন্ত লাল সেন এমনটাই জানিয়েছেন।
এদিকে, নেপালে থাকা অবশিষ্ট তিন বাংলাদেশির মরদেহও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মরদেহও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিমান দূর্ঘটনায় আহত যেসহ যাত্রীকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে তারা সবাই ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত শাহীন ব্যাপারী ও শাহরিনের অস্ত্রোপচার করেছেন চিকিৎসকরা।
অস্ত্রোপচার শেষে তাদের চিকিৎসার সার্বিক অবস্থা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন বার্ন ইউনিটের চিকিৎসকরা। আহত আরেক কবির হোসেনেরও অস্ত্রোপচার করা হবে বলেও জানিয়েছেন তারা।
এদিকে, দুর্ঘটনায় নিহত বাকি ৩ বাংলাদেশির মরদেহও শনাক্ত করা হয়েছে। কাঠমান্ডুতে নিযুক্কত বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
৩ জন হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিল্প ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র পিয়াস রায় ও খুলনা বিএল কলেজের মাস্টার্সের ছাত্র মোল্লা আলিফুজ্জামান।
তিন জনের মরদেহই দেশে আনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে ইউএস বাংলা কর্তৃপক্ষ।