নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই পরিবারে দগ্ধ ৯ জনের মধ্যে মা-মেয়ে মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে মারা যান মা ছায়ারানী (৬০) এবং বেলা ১১টার দিকে মারা যান মেয়ে সুনিত্রা (২৭)।
গতকাল বুধবার ভোর ৫টার দিকে ফতুল্লার হকবাজার এলাকার একটি বাসায় আগুনের ঘটনায় একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ মারা গেলেন মা-মেয়ে।
ঢামেক বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল জানান, আগুনে ছায়ারানীর শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার মেয়ের শরীরের ৬৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
বার্ন ইউনিটের চিকিৎসাধীন অন্য ৭ জনের মধ্যে শ্রীনাথ চন্দ্র বর্মনের (৩৬) শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে, তার স্ত্রী অর্চনা রানীর (৩০) ১৯ শতাংশ, তাদের মেয়ে অনামিকার (১৫) ৪২ শতাংশ, ছেলে অর্পিত চন্দ্র বর্মনের (৯) ৪৬ শতাংশ, ভাতিজা প্রমিত চন্দ্র বর্মনের (১৪) ১০ শতাংশ, শাওন চন্দ্র বর্মনের (১০) ৪২ শতাংশ এবং বোন জামাই নারায়ন চন্দ্র বর্মনের (৪০) ১৫ শতাংশ পুড়ে যায়।
দগ্ধ শ্রীনাথের ভাই অনাথ বর্মন জানান, তারা নারায়নগঞ্জের ফতুল্লার শিবু মার্কেট হকবাজার এলাকায় চার তলা ভবনের তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকেন।
বুধবার ভোরে সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন এমন সময় বাড়িতে আগুন লাগে। পরে তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন উদ্ধার করে বার্ন ইউনিটে ভর্তি করে। গ্যাসের চুলা থেকে এই আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে, জানান অনাথ।