আগুন লেগে মারাত্মক ক্ষতি হওয়ায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ধোয়ার গন্ধের কারণে এখনও বন্ধ রয়েছে। বন্ধ রয়েছে মহিলা সার্জারী ওয়ার্ড ও গাইনী বিভাগের আংশিক ওয়ার্ড।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, আইসিইউসহ জরুরী বিভাগে চিকিৎসা সেবা চালু হয়েছে। তবে শিশু ওয়ার্ডসহ আগুনে ক্ষতিগ্রস্থ অন্য ওয়ার্ডগুলো চিকিৎসা সেবা উপযোগী করতে তারা দ্রুত কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বৈদ্যুতিক সট সার্কিট থেকেই আগুনের সুত্রপাত হয়েছিলো বলেও জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এদিকে, হাসপাতাল থেকে ছেড়ে যাওয়া বেশিরভাগ রোগী আবারো ফিরে আসলেও আতংক কাটেনি তাদের।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আগুণ লাগলে, পুরো হাসপাতালে ছড়িয়ে পড়ে আতংক। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকলে হাসপাতালের ১২ জন রোগিকে অনত্র স্থানান্তর করা হয়।
জরুরি সেবা, আইসিইউ, গাইনী কিংবা শিশু কোনো রোগীই বাদ যায়নি। ফায়ার সার্ভিসের ১৬ ইউনিট ৩ ঘন্টায় আগুণ নিয়ন্ত্রণে আনে।
পরের দিন জরুরি সেবাসহ অন্য বিভাগ চালু হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজ বাসায় জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এ দুর্ঘটনার সার্বিক ক্ষয়ক্ষতি, হাসপাতালের অবস্থান তুলে ধরেন।
শনিবার হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় জরুরী বিভাগসহ হাসপাতালের অন্য বিভাগ চালু হয়েছে।
তবে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেলো আগুণের চিহ্ন। শিশু ওয়ার্ডের বেশিরভাগ বেডই আগুণে নষ্ট হয়ে গেছে।
তবে এই ওয়ার্ডের দায়িত্বপালনরত নার্সরা জানালেন, আগুন লাগার পর দ্রুত সব শিশুকে তারা অনত্র সরিয়ে নিয়ে গেছেন।
হাসপাতালের মহিলা সার্জারী ওয়ার্ডেরও আগুনে বেশ ক্ষতি হয়েছে। বন্ধ রয়ছে চিকিৎসা সেবা।
তবে বাকী সহ ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে যথা নিয়মে। রোগীদের মধ্যে এখনও সামান্য আতংক রয়েছে। তবে চিকিৎসা সেবা নিয়ে নেই কোনো অভিযোগ।
আগুণ লাগার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে বৈদ্যুতিক শট সার্কিক থেকেও এই দূঘর্টনা। তবে দুর্ঘটনার সার্বিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠে দ্রুত শিশু ওয়ার্ড চালু করবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালে পরিচালক।