ভারতের কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী মার্কিন আদালতকে তার পাসপোর্টের কপি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
বিগত ১৯৮৪ সালের শিখ বিরোধী দাঙ্গাকে কেন্দ্র করে মার্কিন এক আদালত তার কাছে পাসপোর্ট চাওয়ায় তিনি নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তা দিতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাকে একাজ করার অনুমতি দেবে না।মঙ্গলবার এনডিটিভি’র খবরে এ কথা বলা হয়।
‘শিখস ফর জাস্টিস’ নামের একটি মানবাধিকার গ্র“প ১৯৮৪ সালের দাঙ্গার নেতৃত্বে থাকা দলীয় লোকজনকে সোনিয়া গান্ধী আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়েছেন এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করে। শিখ দেহরক্ষীর হাতে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী প্রাণ হারানোর পর শিখ বিরোধী দাঙ্গা শুরু হয়।
খবরে বলা হয়, সোনিয়া চিঠির মাধ্যমে ব্রুকলিনের আদালতকে জানিয়েছে, নিরাপত্তার কারণে ভারত সরকার তাকে তার পাসপোর্টের কপি জমা দেওয়ার অনুমতি দিচ্ছে না।
নিউইয়র্কে আদালতের কোনো সমন সোনিয়া পাননি এ কথা বলার পর বিচারক সোনিয়াকে তার পাসপোর্ট জমা দিতে বলেন। কারণ তিনি গত বছর ২ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন কিনা তা পাসপোর্ট থেকে জানা যাবে। ওই সময়ে আদালত তাকে তলব করে। কিন্তু তিনি তা পাননি বলে জানান।
‘শিখস ফর জাস্টিস’ বলছে ওই সময়ে সোনিয়া নিউইয়র্কের স্লোয়ান ক্যাটেরিং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তারা হাসপাতালের স্টাফের কাছে আদালতের সমন কপি পৌঁছে দেন।
সোনিয়ার আইনজীবী জানান, তিনি কিছুই গোপন করছেন না এবং মামলা চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন।
‘শিখস ফর জাস্টিস’ আরো বলছে, পাসপোর্ট না দেয়া এটাই প্রমাণ করে আদালতের সমন জারির ওই সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রেই ছিলেন।
এদিকে সোনিয়া মার্কিন আদালতের বিচারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি পিটিশান দায়ের করেছেন। সূত্র: বাসস।