বিল পরিশোধ না করায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যালয় ও বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার আরব নিউজের দেয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিল বকেয়া থাকায় গতকাল পাকিস্তান সরকার দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও পার্লামেন্টসহ বেশ কিছু সরকারি কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। একই কারণে পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, লোকজন ঠিক মতো বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় পাকিস্তানে ব্যাপক হারে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সরকারি কার্যালয়ই বেশি।
গ্রীষ্মের তীব্র তাপদাহের মধ্যে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ প্রতিদিন ১২ থেকে ১৮ ঘণ্টাই থাকেন বিদ্যুৎবিহীন। এদিকে, দেশটির আমলারা নির্বিকারভাবেই প্রতিদিন শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে বসে কাজ করছেন অথচ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত খুব সামান্য পদক্ষেপই নেয়া হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উঠে আসে।
পাকিস্তানের পানি ও বিদ্যুৎ মন্ত্রী আবিদ শের আলি বকেয়া বিল আদায়ে ‘নির্বিচার অভিযানের’ ঘোষণা দিয়ে একই সঙ্গে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেছেন, যেসব প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রাখবে তাদের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হবে।
এসময় তিনি আরো বলেন, লাখ লাখ রুপি বিল বকেয়া থাকায় এমপিদের আবাসিক ভবন, পার্লামেন্ট হাউস ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’
এদিকে, শুধু বিদ্যুৎ বিভাগই নয়, বিল বকেয়া থাকায় পাকিস্তানের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গ্যাস কোম্পানিও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।