কট্টর হিন্দুত্ববাদী ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বড় প্রভাব পড়বে না বলে— উল্লেখ করে সাবেক কূটনীতিক ও বিশ্লেষক ফিরোজ এ চৌধুরী বলেন, তবে সম্পর্কের গতিশীলতা নির্ভর করবে মোদি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ওপরে। অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল কাটিয়ে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা জোরদার প্রয়োজন সরকারের।
ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছেন বিজেপির কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতা নরেন্দ মোদি। এ অবস্থায় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এবং অমীমাংসিত বিষয়গুলো এখন দেশের সবমহলের আলোচনার শীর্ষে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারতে বিজেপির সরকার গঠনের ফলে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না।
এদিকে, বিদায়ী কংগ্রেস সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক থাকলেও অনেক অমীমাংসিত বিষয়ে কোনও সমাধান আসেনি। সেক্ষেত্রে নতুন সরকারের আমলে এসব বিষয় সমাধানের পথে কতটা এগোতে পারবে? তা অনেকটাই নির্ভর করবে মোদি সরকারের পররাষ্ট্রনীতির ওপরে বলে জানান সিএম শফি সামি।
সর্ম্পক জোরদার করতে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল মিটিয়ে জাতীয় স্বার্থে দক্ষ কূটনৈতিক নিয়োগ করে আলোচনা অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক আমেনা মোহসীন।
নির্বাচনী প্রচারণায় নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশকে ঘিরে যে ধরনের বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন সেটা রাজনৈতিক প্রচারণা হিসেবেই দেখছেন এ কূটনীতিক ও বিশ্লেষকরা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি সরকার সাম্প্রদায়িকতার পথে হাঁটবেন না বলেই ধারনা তাদের।