মক্কায় পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করছেন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে সমবেত ২০ লাখেরও বেশি ধর্মপ্রাণ মুসলমান। শুধু বাংলাদেশ থেকেই এবার হজ করছেন এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন মুসল্লি।
এর আগে শুক্রবার আরাফাতের ময়দান থেকে মুজদালিফায় গিয়ে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করেন মুসল্লিরা। সেখান থেকে শয়তানকে মারার জন্য পাথর সংগ্রহ করে আজ ভোরে ফজর নামাজ পড়ে আবার মিনায় ফিরে যান। সেখানে শয়তানকে ৭টি পাথর মেরে কোরবানি দিয়ে মাথার চুল ছেটে গোসল করবেন তারা।
এরপর ইহরাম শেষ করে স্বাভাবিক পোশাক পরে মক্কায় ফিরে কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন। এ সময় কাবার সামনে সাফা ও মারওয়া পাহাড়ে সাতবার সায়ি অর্থাৎ দ্রুত গতিতে হাঁটবেন মুসল্লিরা। সেখান থেকে আবারো মিনায় যাত্রা। দু’দিন অবস্থান করে শয়তানকে পাথর মেরে হজের বাকি আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পালা।
পরে মক্কায় বিদায়ী তাওয়াফ শেষ করে নিজ নিজ দেশের উদ্দেশে যাত্রা করবেন হাজিরা।
এদিকে, ত্যাগের মহিমা ও পশু কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হচ্ছে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা।
ফজরের নামাজের পরপরই দল বেঁধে ঈদের জামাতে অংশ নিতে ঈদগাহ ময়দানে হাজির হন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। রিয়াদে প্রধান ঈদের জামাত ধিরাস্থ জাতীয় মসজিদে স্থানীয় সময় সকাল ৬টায় অনুষ্ঠিত হয়।
মক্কার কাবা শরিফ, মদিনার মসজিদে নববী ছাড়াও বিভিন্ন মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে এসব জামাতে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সঙ্গে নামাজ আদায় করেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এরপর তারা পশু কোরবানি দেন।